শ্রদ্ধাভাজন খালেদা মনজুর স্মরনে
শিক্ষা যদি হয় জাতির মেরুদণ্ড, তবে শিক্ষককে বলা হবে শিক্ষার মেরুদণ্ড। শিক্ষক হলেন ন্যায়-নীতি আর আদর্শের প্রতীক। এরই বাস্তব প্রমাণ ছিলেন
আমাদের ম্যাডাম মিসেস খালেদা মনজুর। রিয়াদ সৌদি আরবে
বাংলাদেশিদের শিক্ষার বিস্তারে তার অবদান মনে রাখার মত।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে নীতির প্রশ্নে তিনি অটল ছিলেন। ফলে তার সব ছাত্রছাত্রীর কাছে ছিলেন আদর্শ ও নীতির মূর্তপ্রতীক। বিদ্যালয়ের নিয়মশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তার ওপর প্রতিষ্ঠান প্রশাসনের ছিল গভীর আস্থা ও নির্ভরতা। ছাত্রছাত্রীদের ছিল অগাধ ভক্তি ও শ্রদ্ধা। শিক্ষকতা জীবনে তিনি রিয়াদের
ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।
চিন্তায় ও মননে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক দলাদলির ঊর্ধ্বে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বা। যে জ্ঞানের প্রদীপশিখা তিনি রিয়াদে
প্রজ্বলিত করে গেছেন, তার ঋণ শোধ করার মতো নয়।
তিনি ছিলেন আমার সহকর্মী ।তার আতিথীয়তা ছিল প্রশংসা করার মত। ওনার বাসায় আমরা
কতবার দাওয়াত খেয়েছি তা মনে রাখার মত। আমাকে স্নেহ করতেন ঠিক ছোট ভাইয়ের মত।ঐ সময়
আমার গাড়ি ছিল না । ওনাদের গাড়ি চড়ে বিভিন্ন যায়গায় ভ্রমন,এখনও আমার মনে পড়ে। ওনার
স্বামী প্রফেসর মনজুর একজন নিরহংকার বড়
মাপের মানুষ কিন্তু আমাদের সাথে যখন মিশতেন তখন আমরা বুঝতেই পারতাম না যে ওনি এত
বড় মাপের মানুষ।
0 Comments